এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৪

Stop Genocide in GAZA

ইহুদীদের সাথে মুসলমানদের শত্রুতার শুরু বর্তমান শতাব্দী থেকে নয় । এ শত্রুতার শুরু ইসলাম ধর্ম প্রসারের প্রারম্ভ থেকে কিংবা তারও পূর্ব থেকে । স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা ইহুদীদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করতে নিষেধ করার পরেও মুসলানদের একাংশ ইহুদীদেরকে বন্ধু রুপে গ্রহন করেছে । কাজেই আল্লাহর আদেশকে যারা অমান্য করেছে তাদের অধঃপতন হবে না এ কথা ভাবাও পাপ । মুসলমানরা মুসলমানদের ক্ষতিতে বিভিন্নভাবে সাহায্য করছে । কখনো আর্থিক আবার কখনো পরামর্শ দিয়ে । আরব বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর শাসকদের মধ্যে পরস্পররুদ্ধ সম্পর্কের কারনে তাদের একজন অন্য জনকে দাবিয়ে রাখার জন্য মুসলমানদের প্রকাশ্য শত্রুদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করছে । ইসলাম এবং মুসলমানদের পরোক্ষ শত্রুরা মুসলিম শাসকদের এ দুর্বলতাকে কাজে লাগিয় এক পক্ষের মাধ্যমে অন্য পক্ষের শক্তিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে । যখন তাদের এ কৌশলও কাজে আসছে না তখন ইসরাইল বাহিনীকে ব্যবহার করে গাজার ধর্মভীরু মুসলামানদের ধ্বংস করছে । জীবনের সাথে ধ্বংস করে দিচ্ছে সম্পদও । বিশ্বের বর্তমান পরাশক্তিগুলো মুসলামনদের ধ্বংস দেখছে আর মুখ টিপে হাসছে । অথচ মুসলমানদের সাথে যে আচরণ করা হচ্ছে এই আচরণ যদি অন্য কোন ধর্মাবলম্বীদের সাথে করা হত তবে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কত ধরনের আক্রমনের প্রস্তুতি নেয়া হত তার কোন সীমা-পরিসীমা নেই । জাতিসংঘের ভূমিকা দেখে তখন বিস্ময় না হয়ে পারা যেত না ।



৬০ লাখ ইসরায়লি ইহুদিকে হত্যা করেছিলেন জার্মানির হিটলার। শুনেছি হিটলার ইহুধিদের নির্মূল করার ঘোষনা দিয়ে তাদের গনহত্যা করেছিলেন, কিন্তু ৬০লাখ ইহুধিকে হত্যার পর বিশ্বের কিছু মানবাতাবাদি লোক এবং মানবতাবাদি সংগঠন তাকে ধিক্কার দিচ্ছিলো। তিনি তাদের বলেছিলেন "আমি হিটলার এদেরকে হত্যা করতেছি বিশ্ববাসির শাস্তির জন্যে, আজ যদি তারা একটিও বেঁচে থাকে তোমাদের জন্যে সে কালসাপ হিসেবে জেগে ওঠবে।


কিন্তু পৃথীবির কিছু মানবতা বাদির সুপারিশ ও ধিক্কারে তিনি ৬০লাখ ইয়হুধিকে হত্যা করে বাকিদের ছেড়ে দিয়েছেন। হিটলার সর্বশেষে একবার বলেছিলেন "আমি হিটলার চাইলে সব ইহুধিকে মারে পেলতে পারি কিন্তু মারব না, তোমাদের অনুরোধে কিছু ইহুদি বাঁচিয়ে রাখলাম যাতে তোমরা বুঝতে পারো কেন আমি তাদের মারতে চেয়েছি।
ঠিক আজ বিশ্ববাসি বুঝতে পারতেছে সেইদিন হিটলার কেন তাদের মারতে চেয়েছিলো!! ধিক্কার জানাই বিশ্বের মানবতাধারি ফেরিওয়ালাদের।



মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০১৪

ভারতের কাছ থেকে সমুদ্র জয় বাংলাদেশের মুজিব কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে।

নেদারল্যান্ডসের হেগের স্থায়ী সালিসি আদালতের রায়ে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া দক্ষিণ তালপট্টি ভারতের অংশে পড়েছে। সাতক্ষীরার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের এ দ্বীপটি নিয়ে গত তিন দশক ধরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিরোধ ছিল।
আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি বলেন, তালপট্টি এখন নেই। তালপট্টি যে জায়গায় ছিল তার ক্ষুদ্র একটি জায়গা এই সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে ভারতের দিকে পড়লেও নিচের দিকে গিয়ে বিশাল একটি এলাকায় বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
নেদারল্যান্ডস থেকে একটি কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকটি কারণে তালপট্টি নিয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতে কোনো আলোচনা হয়নি। প্রথমত, বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের রায়টি হয়েছে ১৯৪৭ সালের রেডক্লিফের মানচিত্রের ভিত্তিতে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ দক্ষিণ তালপট্টির মালিকানা দাবি করলেও কোনো মানচিত্রেই দেখাতে পারেনি দ্বীপটি বাংলাদেশের অংশে। তা ছাড়া গত বছরের অক্টোবরে বিচারকেরা বঙ্গোপসাগর সফরের সময় এটির অস্তিত্ব খুঁজে পাননি।
ঢাকার এক কর্মকর্তা মনে করেন, তালপট্টির অস্তিত্ব ভারত দেখাতে সমর্থ হলেও দেশটি সমদূরত্বের দাবি প্রতিষ্ঠার করার ক্ষেত্রে এগিয়ে যেত। কারণ, ভূখণ্ডের অস্তিত্ব থাকলে সীমারেখা টানার ক্ষেত্রে সমদূরত্বের দাবিটিকে বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হতো আদালতকে।
১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার জানায়, ২৪ পরগনা জেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় একটি নতুন দ্বীপের উত্পত্তি হয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সীমানায় এ দ্বীপের মালিকানা দাবি করে এর নাম দেওয়া হয় দক্ষিণ তালপট্টি। অন্যদিকে, ভারতও নিজেদের মানচিত্রে এর অধিকার দাবি করে নাম দেয় পূর্বাশা বা নিউ মুর।
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট) রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম জানান, ১৯৭০-এর ঘূর্ণিঝড়ের পর দ্বীপটি জেগেছিল। ১৯৮৫ সালে উড়িরচরে যে ঝড় হয়, তার পর থেকে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি আর নেই। ১৯৮৯ সাল স্যাটেলাইটের ধারণ করা ছবিতে এই দ্বীপটির অস্তিত্ব আর পাওয়া যায় না। ২০০৮ সালে ভারতের এক গবেষণাতে বলা হয়েছে, ‘নিউ মুর ইজ নো মোর।’ ভারত দক্ষিণ তালপট্টিকে ‘নিউ মুর’ হিসেবে অভিহিত করে।
তাহলে তালপট্টি এখন কাদের ভাগে যাবে—এ প্রশ্নের উত্তরে খুরশেদ আলম জানান, গত বছরের অক্টোবরে বিচারকদের বঙ্গোপসাগরে সরেজমিনে সফরে নেওয়ার সময় তালপট্টি-সংলগ্ন এলাকায় নেওয়া হয়। ভারতও বিশেষ ক্যামেরার সাহায্যে তালপট্টিকে দেখানোর চেষ্টা করে, সেখানেও তালপট্টির অস্তিত্ব মেলেনি। দ্বীপ হিসেবে থাকলে তালপট্টির পানির ওপরে থাকার কথা। ওই অংশটুকু এখন কার ভাগে পড়েছে—এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যেহেতু রেডক্লিফের ১৯৪৭ সালের মানচিত্র অনুযায়ী সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হয়েছে, তাই ওই অংশটুকু ভারতের দিকে পড়েছে।
খুরশেদ আলম বলেন, ১৯৮০ সাল থেকে বাংলাদেশে যতগুলো মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেই তো তালপট্টি নেই। রাজনৈতিক সীমারেখার মানচিত্র দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে কিন্তু তালপট্টি আমাদের না। আমরা তালপট্টির দাবি করে এসেছি, কিন্তু কেউ খেয়াল করে দেখিনি যে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মানচিত্রে তালপট্টি নেই।’
মালিকানা কি তবে তুলে নিয়েছি—এমন প্রশ্নের উত্তরে দীপু মনি বলেন, ‘যেটির অস্তিত্ব নেই, সেটি দাবির প্রশ্ন আসে কী করে!’ 
এ বিষয়ে খুরশেদ আলম বলেন, ‘১৯৮০ সালের আগে যখন দ্বীপ ছিল তখন অবশ্যই দাবি করেছি। আমাদের কোনো মানচিত্রেই আমরা প্রমাণ করতে পারিনি যে জায়গাটা আমাদের। আমাদের নিজেদের মানচিত্রগুলো আগেই সংশোধন করা উচিত ছিল, কিন্তু করিনি। ২০১০ সালে যে মানচিত্র আমরা সংশোধন করেছি, আদালত তা গ্রহণ করেনি।’ 

শনিবার, ১৪ জুন, ২০১৪

তোমাকে হারানোর ভয়

আমি তোমাকে 
হারাবো জেনেও চেয়েছি....
আমি তোমাকে 
না পেয়েও পে

য়েছি.....

তার বেদনায়
আমি অঝরে কেদেছি...
আমি তোমাকে
পাবনা জেনেও ভালোবেসেছি.

শনিবার, ১ মার্চ, ২০১৪

হ্যালোটুডে ডটকম ডেস্ক: একটা সময়ে আমাদের রক্ষণশীল দেশে প্রেম করে বিয়ে করার ব্যাপারটাই ছিলো অস্বাভাবিক। কিন্তু এখন সমাজ এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি দুই ই পাল্টে গেছে। বর্তমান আধুনিক সময়ে বেশিরভাগ মানুষই প্রেম করে বিয়ে করতে চায়। এমনকি ব্যাপারটা এমন হয়ে গেছে যে প্রেম করেনি, এমন কারো ব্যাপারে আমাদের অনুভূতি হয়ে থাকে সহানুভূতি থেকে শুরু করে তাচ্ছিল্য পর্যন্ত। কারণ তাদের সবারই বিশ্বাস, শুধুমাত্র ভালোবাসার জন্যই বিয়ে করা উচিত। কিন্তু আসলে কি তাই?
বাস্তবতা এতো সহজ নয়। যুক্তি দিয়ে চিন্তা করলে আমরা বুঝতে পারি, প্রেম একটি বিলাসিতা বই কিছু নয়। মানুষ তখনই প্রেম করে বিয়ে করে যখন তার জীবনের অন্য সব চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। এ কারণেই বিয়ের পরে কোনো রকম সমস্যা দেখা গেলেই প্রেমের মাঝে ভাঁটা পড়ে, আর অনেক সময়েই দেখা যায় বিবাহবিচ্ছেদ। আধুনিক সময়ে মানুষ সংসার টিকিয়ে রাখার চাইতে নিজের ব্যক্তিগত সুখের কথা চিন্তা করে এবং সে কারণেও প্রেমের মোহ কেটে গেলে সঙ্গীকে ছেড়ে যাওয়াটাও সহজ হয়ে গেছে।
প্রাচীন কাল থেকে মানুষ সন্তান উৎপাদনের জন্য বিয়ে করতো, এমনকি কয়েক দশক আগেও মানুষ বিয়ে করতো সম্পত্তি এবং রাজনৈতিক কারণে। কিন্তু এখন সেটা কমই হতে দেখা যায়। ভালোবাসাকে আমরা এখন এতো বেশি মূল্য দেই যে তার সামনে পরিবারের মূল্য ফিকে হয়ে গেছে আমাদের কাছে। কিন্তু বিয়ে করার পেছনে কিন্তু থাকতে পারে অযৌক্তিক প্রেমের চাইতে আরও ভালো কোনো কারণ। আপনি সে মানুষটিকে বিয়ে করতে পারেন যে আপনার পাশাপাশি আপনার সন্তানের একটি ভালো অভিভাবক হতে পারবেন, যাকে বিয়ে করলে উভয়েই আর্থিকভাবে সছল হতে পারবেন, এমনকি শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ একটি পরিবার গড়ে তোলার জন্য যে মানুষটির সাথে আপনার বন্ধুত্ব ভালো আছে অথবা রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্বাস, তাকেও বিয়ে করতে পারেন। এসব কারণে বিয়ে করাটা যথেষ্টই বাস্তবধর্মী।
প্রেম করে বিয়ে করলেই যে তা হবে ঠুনকো, গড়াবে বিচ্ছেদের দিকে- এমনটা কিন্তু বলা হচ্ছে না মোটেই। তবে বিয়ে করার পেছনে মূল উদ্দেশ্য প্রেম না হয়ে অন্য কিছু হতেই পারে। শুধুমাত্র ভালোবাসার কথা চিন্তা করে বিয়ে করাটা কেন ঠিক নয়, দেখে নিন সেই কারণগুলো:
১) প্রেম কোনো চিরস্থায়ী অনুভূতি নয়
অনেকের জন্যই প্রেম বজ্রপাতের মতো। ঝট করে কোনো মানুষকে ভালো লেগে যায়, তারপর প্রেমে রূপ নেয় সেই অনুভূতিটি। কিন্তু এই অনুভূতিটি যত দ্রুত আসে, তত দ্রুতই কিন্তু চলেও যেতে পারে। প্রেম করে বিয়ে করার পর একটা সময়ে যদি সেই প্রেম উবে যায়, তখন কি হবে? সম্পর্কটি হয় বিষিয়ে যায় অথবা একেবারেই শেষ হয়ে যায়। প্রেমের কারণেই যদি বিয়ে করা হয়ে থাকে, তবে সেই বিবাহিত জীবনে আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না।
২) বিয়ে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রেম যথেষ্ট শক্তিশালী ভিত্তি নয়
কেন আপনি একজন মানুষকে সারা জীবন নিজের পাশে রাখবেন? কেন তার জন্য নিজের জীবন পরিবর্তন করে ফেলবেন? এর পেছনে তো থাকা চাই খুব শক্তিশালী এবং স্থায়ী একটি কারণ। সত্যি কথা বলতে কি, প্রেম শক্তিশালী হলেও তা খুব বেশি স্থায়ী হয় না। বিশেষ করে যে সংসারে সন্তান রয়েছে এক বা একাধিক, সেখানে থাকা চাই আরও দীর্ঘমেয়াদি কোনো ভিত্তি। তা হতে পারে শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব, বিশ্বাস এমনকি আর্থিক বা সামাজিক মর্যাদা। শুধুই প্রেমের ওপর ভিত্তি করে গড়া যে কোনো কাঠামো এক সময় না এক সময় ভেঙ্গে পড়তে বাধ্য।
৩) শুধু প্রেম দিয়ে জীবন চলে না
খারাপ লাগলেও কথা সত্যি। একটা মানুষের সাথে সারা জীবন কাটিয়ে দেবার জন্য প্রেম ছাড়াও অনেক কিছুই দরকার হয়। আপনার মনে যদি তার ওপরে যথেষ্ট আস্থা না থাকে, তবে কিছুদিন পরেই সেই সম্পর্কে নানান সমস্যা দেখা দিতে বাধ্য। আপনি যদি মনে করে থাকেন শুধুই প্রেম দিয়ে সাড়া জীবন কাটিয়ে দিতে পারবেন, একে অপরকে সহ্য করতে পারবেন তবে সেটা অনেক বড় ভুল। সুস্থ এবং শক্তিশালী একটি দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক যদি গড়ে তোলার ইচ্ছে থাকে আপনার, তবে তার রেসিপি হতে পারে এমন: ১ কাপ শ্রদ্ধা, ১ কাপ মিলিত লক্ষ্য, ১ কাপ মনের মিল, ১ চা চামচ ভালোবাসা এবং ১ চা চামচ আকর্ষণ (ইচ্ছে হলে!)।

বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৪

জেনে নিন চেহারার যৌবন ধরে রাখার ছোট্ট "গোপন ফর্মুলা"!

আজকাল খুব দ্রুত চেহারা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে যৌবন। বয়সের আগেই বার্ধক্যের ছাপ পড়ছে চেহারার। আয়নায় ভালো করে তাকিয়ে দেখুন, বয়সের চাইতেও নিজেকে অনেকটা বয়স্ক দেখায় না? এই সব কিছু দূর করতে আমরা নিয়ে এলাম দারুণ একটি উপায়। না, দামী দামী ক্রিম নয়। এমনকি পার্লারে গিয়ে নানান ট্রিটমেন্টও নয়। রইলো একটি ফেস প্যাক তৈরির সিক্রেট ফর্মুলা। নিয়মিত এই ফেস্প্যাক ব্যবহারে দীর্ঘদিন অটুট থাকবে আপনার চেহারার যৌবন!
অ্যান্টি-এইজিং ফেস প্যাক
এই ফেইস প্যাকটি তৈরি করতে লাগবে-
২ টেবিল চামচ মিহি চালের গুঁড়ো (চাইলে ময়দা ব্যবহার করতে পারেন)
১ চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ তাজা হলুদ গুঁড়ো বা বাটা
৫ চা চামচ কাঁচা দুধ
গোলাপ জল ১ চা চামচ
শসার রস ১ চা চামচ
মধু ১ চা চামচ
পদ্ধতিঃ
•প্রথমে একটি বাটিতে চালের গুঁড়ো বা ময়দা এবং হলুদ গুঁড়ো ভালো করে মিশিয়ে নিন।
•এরপর এতে শসার রস ও দুধ দিয়ে পেস্টের মত তৈরি করুন।
•মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি ভেজা মুখে আলতো ঘষে লাগান।
•পুরোপুরি লাগানো হয়ে গেলে ১০ মিনিট রেখে দিন।
•১০ মিনিট পর আঙুলের মাথা দিয়ে হালকা ঘষে তুল নিন। এরপর মুখে মধু মাখইয়ে রাখুন।
•১০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখ মুছে নিয়ে প্রাকৃতিক গোলাপ জল লাগিয়ে নিন আলতো করে।
•সপ্তাহে ৩/৪ বার এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করুন।

মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৪

ইন্টারভিউ দক্ষতা বাড়াতে ১০ টিপস

ইন্টারভিউ দক্ষতা বাড়াতে ১০ টিপস

নিউজবুক ডেস্ক
 ঢাকা, ৮ জানুয়ারি : ইন্টারভিউতে অকৃতকার্য হলে পাবলিক পরীক্ষার মতো তা আবার দেয়ার সুযোগ থাকে না। আর সবচেয়ে স্মার্ট ও যোগ্য প্রার্থীকেও ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়। ইন্টারভিউয়ের সময় তিনটা C মনে রাখতে হবে- cool, calm and confidence.  এ নিবন্ধে প্রকাশিত ইন্টারভিউয়ের পরামর্শগুলো জেনে নিলে চাকরিপ্রার্থীদের প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হবে।


১. নিরব যোগাযোগের অনুশীলন করুন
সোজা হয়ে দাঁড়ানো, চোখে চোখ রাখা ও বলিষ্ঠ হ্যান্ডসেকের মতো আপনার ব্যক্তিত্ব প্রকাশকারি বিভিন্ন বিষয় অনুশীলন করুন। এগুলোই হবে কথাবার্তা শুরুর আগে আপনার ইন্টারভিউয়ের মাপকাঠি। এগুলোই আপনাকে নিয়ে যাবে দারুণ একটা ইন্টারভিউ বা তাড়াতাড়ি শেষ হওয়া কোনো ইন্টারভিউয়ের দিকে।


২. প্রতিষ্ঠানের উপযোগী পোশাক পরুন
প্রচলিত সাধারণ পোশাক আপনার ইন্টারভিউয়ের জন্য উপযুক্ত নয়। চাকরিপ্রার্থীর জানা উচিত ইন্টারভিউতে কোন পোশাকটি পরা উচিত। আপনি সুট পরবেন কি না, তা নির্ভর করছে কোম্পানিটির রীতি ও আবেদনকারির পদটির উপর। সবচেয়ে ভালো হয় ইন্টারভিউয়ের আগেই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কেমন পোশাক পরছেন, সেটা লক্ষ্য করে সেই অনুযায়ী পোশাক পরলে।


৩. শুনুন
ইন্টারভিউয়ের শুরু থেকেই তারা আপনাকে বিভিন্ন তথ্য দেবেন। সেগুলো মনযোগ দিয়ে না শুনলে আপনি অনেক ‍সুযোগ মিস করবেন। ভালো যোগাযোগ দক্ষতায় আপনার অবশ্যই অন্য পক্ষের কথা শুনতে হবে ও সময়মতো জানাতে হবে যে, আপনি শুনেছেন। আপনার ইন্টারভিয়ারের দিকে মনযোগ দেওয়া খুবই জরুরি।


৪. অতিরিক্ত কথা বলবেন না, যা জানা আছে তাই বলুন
প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা বলা ইন্টারভিউয়ের একটি বড় ভুল। ইন্টারভিউয়ে কোনো অজানা প্রশ্নের উত্তরে সম্পূর্ণ অসংলগ্ন কথাবার্তা বলা একেবারেই অনুচিত। এতে আপনার চাকরির সম্ভাবনা নষ্ট হয়। ইন্টারভিউয়ের আগেই সার্কুলার দেখে তাদের প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে পড়াশোনা করে নিতে হবে।


৫. বেশি বন্ধুবৎসল হবেন না
ইন্টারভিউ একটি পেশাদার বিষয়। এতে ব্যক্তিগত কথাবার্তা, বন্ধুত্ব ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে। এতে সর্বশক্তিতে চাকরিটিতে আপনি কতোটা যোগ্য, তা বর্ণনা করতে হবে। এতে সবসময় মনে রাখতে হবে আপনি একজন চাকরি প্রার্থী, অন্যকেউ নন।


৬. সঠিক ভাষা ব্যবহার করুন
ইন্টারভিউতে আপনাকে অবশ্যই পেশাদারি ভাষা ব্যবহার করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে কোনো অরুচিকর কথাবার্তা বিষয়ে। এতে বয়স, বর্ণ, ধর্ম, রাজনীতি ও যৌন বিষয়ে অবমাননাকর বিষয় সবসময় এড়িয়ে চলতে হবে। এগুলোর ব্যতিক্রম হলে শীঘ্রই আপনাকে দরজার বাইরে চলে যেতে হবে।


৭. অতিরিক্ত কনফিডেন্ট হবেন না
আচরণ আপনার চাকরির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইন্টারভিউতে আত্মপ্রত্যয়, পেশাদারিত্ব ও বিনয়ের সমন্বয় থাকতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি নিজের যোগ্যতাকে প্রমাণ করতে গিয়েও অতিরিক্ত কনফিডেন্ট হবেন না।


৮. যত্নের সঙ্গে প্রশ্নের উত্তর দিন
প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর যত্নের সঙ্গে দেওয়াটা ইন্টারভিউতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন, আপনাকে কোনো একটি মাসে বা বছরে কী করেছেন, জিজ্ঞাসা করা হল। এ সময় আপনি যদি কোনোকিছু মনে করতে না পারেন, তাহলে আপনি একটি সুযোগ হারালেন। আর যদি এ সময়ে আপনার করা পড়াশোনা, চাকরি ও বিভিন্ন অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় বর্ণনা করেন, তাহলে তা হবে চাকরির দিকে একধাপ অগ্রগতি।


৯. প্রশ্ন করুন
ইন্টারভিউতে বেশিরভাগ সময় জিজ্ঞাসা করা হয় আপনার কোনো প্রশ্ন আছে কি? সে সময় অধিকাংশই ‘না’ বলে দেন। না বলার চেয়ে প্রতিষ্ঠানের কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করাই ভালো। কী প্রশ্ন করবেন তা নিহিত আছে ইন্টারভিউয়ের মধ্যেই। ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতেই কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করা ভালো। এতে আপনি যে সম্পূর্ণ ইন্টারভিউটি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন, তা বোঝাতে পারবেন।

১০. মরিয়া হবেন না
ইন্টারভিউতে যদি আপনার কথাবার্তায় মনে হয়- ‘প্লিজ, প্লিজ, আমাকে চাকরিটি দিন’ তাহলে আপনাকে নিঃসন্দেহে কম আত্মবিশ্বাসী মনে হবে। এতে আপনার চাকরির সম্ভাবনাও বাড়বে না। আপনি যদি চাকরিটির জন্য উপযুক্ত হন, তাহলে নিজের আচরণের মাধ্যমে ইন্টারভিউয়ারদের তা বিশ্বাস করানোর দায়িত্ব আপনার।

শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৪

সত্যিকারের ভালোবাসার ৭টি লক্ষণ

সত্যিকারের ভালোবাসার ৭টি লক্ষণ


একটা সময় ছিল, যখন এ কথাটি প্রচলিত ছিল যে জীবনে প্রেম মাত্র একবারই আসে। এখনকার সময়ের জন্য বোধহয় এ কথাটি আর প্রযোজ্য নয়! তাই বলে যে সবার জীবনেই একাধিকবার প্রেম আসবে, তা নয়! কারো কারো প্রথম প্রেমই পরিণতি পায়, আর কারোটা পায় না।

সম্পর্ক নানা কারণে ভেঙে যেতে পারে। নিজেদের মধ্যে বনিবনা না হওয়া, পারিবারিক সম্পর্ক ইত্যাদি। কিন্তু একবার সম্পর্ক ভেঙে গেলে কি মানুষের জীবন থেমে থাকে? না, মানুষ আবারও ভালোবাসে। এই ভালোবাসাও গড়াতে পারে পরিণতির দিকে। আপনার প্রথম প্রেম হোক আর দ্বিতীয় প্রেম, অনেক সময় মনে এ ভাবনা আসতেই পারে যে, এটাই কি সত্যিকারের ভালোবাসা? এই মানুষটাই আমার জন্য তৈরি? সে কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসে?

ভালোবাসার সম্পর্কের মধ্যকার কিছু ব্যাপার ভালোভাবে খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন যে, আপনারদের এই সম্পর্ক আসল কি না, সত্যিই আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা আপনাকে ভালোবাসে কি না! জেনে নিন বিষয়গুলো।



একসাথে বাকি জীবন কাটানোর ইচ্ছা:

খেয়াল করে দেখুন যে আপনাদের একে অন্যের সাথে সারাজীবন কাটানোর ইচ্ছাটা কতখানি প্রবল। আপনি কি আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার ওপর এতটাই ভরসা করেন যে চোখ বন্ধ করে তাঁর সাথে সারাজীবন কাটাতে পারবেন? উত্তর যদি হ্যা হয়, তাহলে বুঝে নিন আপনাদের সম্পর্কের গভীরতা প্রবল এবং এটাই আসল ভালোবাসা। পরস্পরের প্রতি আপনাদের নির্ভরতাও ভালোবাসার সত্যতা প্রমাণ করে। আপনার ভালোবাসার মানুষটির আপনাকে পাবার আকাঙ্খাটুকু বোঝার চেষ্টা করুন। আশা করি নিজেই বুঝতে পারবেন তাঁর ভালোবাসার সত্যতা সম্পর্কে।



পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সদ্ভাব করানোর চেষ্টা:

আপনাকে যে ভালোবাসে, বিয়ে করতে চায়, তিনি অবশ্যই চেষ্টা করবেন যেন তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের সাথে যেন আপনার ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। খেয়াল করুন তিনি আপনাকে তাঁর বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন কি না। আপনাকে নিয়ে যদি তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা থাকে, তাহলে অবশ্যই তাঁর নিকটজনদের সাথে আপনার সদ্ভাব করানোর চেষ্টা করবেন।



শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে তাড়াহুড়া না থাকা :

সত্যিকারের ভালোবাসায় শারীরিক সম্পর্ক এটা গৌণ কারণ। আবেগের বশে শারীরিক সম্পর্ক হয়েই যেতে পারে। তবে যিনি আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসেন তাঁর মাঝে এ বিষয়ে তাড়াহুড়া না থাকারই কথা! কারণ তিনি যদি আপনাকে ভালোবাসেন, বিয়ে করতে চান তাহলে এক সময় না এক সময় আপনাকে পেয়েই যাবেন - এ কথাটিই থাকবে তাঁর মাথায়। আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবেন তা জানার চেষ্টা করুন।



কোনো কিছু গোপন না করা :

যিনি আপনাকে সত্যি সত্যি ভালোবাসেন তিনি আপনার কাছে কোনো কিছুই গোপন করতে চাইবেন না। নিজের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার থেকে শুরু করে পরিবারের সমস্যার কথা সবই বলবেন। এমনকি তাঁর প্রাক্তন সম্পর্কগুলো সম্পর্কেও বলবেন। যদি তাঁর মধ্যে কথা গোপন করার প্রবণতা লক্ষ্য করেন, তাহলে সাবধান হয়ে যান।



প্রাক্তন সম্পর্কগুলোকে পুরোপুরি ভুলে যাওয়া :

যখন মানুষ তাঁর সম্পর্কের ব্যাপারে সন্দিহান থাকে তখনই অতীতের সম্পর্কের সাথে বর্তমানের সম্পর্কের তুলনা করে - এটাই মানুষের স্বভাব! কিন্তু যখন একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে ভালোবাসবে, তখন তাঁর মধ্যে থেকে এই প্রবণতা কমে আসবে। খেয়াল করে দেখুন যে, আপনার ভালোবাসার মানুষটি বারবার পুরনো সম্পর্কের প্রসঙ্গ তোলেন কি না। তাঁর ভালোবাসার সত্যতা তখনই প্রমাণ হবে যখন তিনি তাঁর পুরনো সম্পর্কগুলোকে পুরোপুরি ভুলে যাবেন।



ভবিষ্যতের পরিকল্পনা :

যিনি আপনাকে ভালোবাসেন এবং বিয়ে করতে চান, তিনি আপনার সাথে নানা ধরনের ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা করবেন। এর মধ্যে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা অন্যতম। যেমন সংসার কেমন হবে, কেমন বাড়িতে থাকবেন, জীবনে কী কী করতে হবে ইত্যাদি। আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা কি আপনার সাথে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করেন? উত্তর হ্যা হলে তাঁর ভালোবাসার সত্যতা পাওয়া যায়।



ঈর্ষাবোধ থাকা :

ভালোবাসা থাকলে ঈর্ষাবোধ থাকবেই! এটাই স্বাভাবিক। অস্বাভাবিক তখনই যখন আপনার ভালোবাসার মানুষ অন্য কারো সাথে আপনাকে ঘনিষ্ঠ হতে দেখলেও ঈর্ষাবোধ করবে না। আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার মধ্যে যদি প্রবল ঈর্ষাবোধ থাকে, তাহলে ধরে নিন তিনি আপনাকে সত্যিই ভালোবাসেন। আর যদি তাঁর মধ্যে এই বোধ না থাকে তাহলে কিন্তু চিন্তা করার কারণ রয়েছে!