এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বৃষ্টি ভেজা আরিফ

দৃষ্টির বাহিরে
বৃষ্টি ঝড়েছে মনে
দেখিনি কতদিন
যুগে যুগে
শুধু বেড়ে গেছে 
পাওয়া না পাওয়ার ঋন
আমি বৃষ্টি ভেজা
আকাশ হতে চেয়েছিতুমি চেয়েছ নীল
সপ্নের ঘুড়ি
উড়িয়েছি আকাশে
তুমি, ভেবেছ শঙ্কচিল

জানালার ওপারে
বৃষ্টি ঝড়েছে
বলিনি কোন কথা
নিরব হয়ে দেখেছি শুধু
ভাঙেনি নিরবতা
আমি বৃষ্টি হব 
বৃষ্টি ঝড়াবো
তোমার চোখের আড়ালে
এসো একদিন 
ভিজবো দুজন
হাত দুটো বাড়ালে...................
.......................................... বৃষ্টি ভেজা আরিফ

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৫

নারির স্বাধীনতা  বনাম আমাদের সমাজ দুষন ,,,,,,
আপনি স্বাধীন তাই বলে আপনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন না, সেটা আপনি মেয়ে হয়েই হোক আর ছেলে হয়েই হোক। টিএসসি তে যে ঘটনা ঘটেছে তা সমাজের দুষনের একটা বাস্তব পতিচ্ছবি। আপনি স্বাধীন ভাবে চলার স্বাধীনতা পেয়েছেন বলেই আপনি রাস্তায় যে ভাবে ইচ্ছা চলতে পারেন না। আদিযুগ থেকে যেটা চলে আসছে ,সমাজ দুষনের প্রধান কারন নারী চরিত্র। যুগে যুগে এই নারির বিবস্ত্র সাজসজ্জার জন্য যুদ্ধ বিগ্রহ সব কিছুই সংঘঠিত হয়ে আসছে। আপনি স্বাধীন ভাবে চলার অধিকার পেয়েছেন বলেই আপনি রাস্তায় কাপড় বীহিন চলতে পারেন না। আপনার বুকে কাপড় ছাড়া হাটা আর বাঘের সামনে একটি মুরগি পড়ে যাওয়ার মাঝে ব্যাবধান বুঝতে হবে। আপনি খুধার্ত প্রানীর সামনে কাবার ধরে বলবেন , লোভ দেখাবেন, আর তারা আপনার খাবারে কামড় বসালেই আপনার যত সমস্যা? আপনি শরিরের ৩ তিন ভাগ বের করে রাস্তায় বের হবেন , আর কেউ আপনাকে টিজ করলেই আপনার যত সমস্যা, আপনি ছেলে দেখলে বুকের কাপড় ফেলে দিবেন , নাভির নিচে কাপড় পড়ে শাড়ির আচল টান দিয়ে সরিয়ে দিবেন আর কেউ আপনার দিকে নজর দিলেই আপনার সমস্যা!!!???? নারিকে বলছি আপনাদের চরিত্রের দিক গুলো ঠিক করুন , আপনাদের লোলুপ অঙ্গ কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন ,,, কেউ আপনাদের টিজ করবেনা, ওড়না ধরে টানবে না, একটা পুরুষের যতটুকু লজ্জাস্থানের লজ্জা বোধ আছে আপনি মেয়ে হয়েও আপনার ওই অঙ্গের কোন লজ্জাবোধ নাই। আপনাদের লোলুপ অঙ্গ বাড়িতে ঘড়ের ভিতরেই রাখেন, কাপর বিহিন রাস্তায় প্রদর্সন করার জন্য নয়।
টিএসসির ঘটনায় জড়িত পুরুষ এবং বসত্র বিহিন নারিদের ও বিচার দাবি করছি।


শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৪

হারিয়ে গেছে সেই দিন

হারিয়ে গেছে সেই দিন
বেড়েছে শুধু ঋণ
থেমে থাকেনি কিছু
মাঝখানের সবই মিছু
থেমে থাকনি তুমি 
থেমে গেছি কেবল আমি
হাড়িয়ে গেছে পথ
সামনে গভির রাত
আলো নেই কোথাও
তোমায় খুজেছি যেথায়
ভোর হবে না জানি
চলে গেছ ফিরবে না তুমি
তবুও পথে অপেক্ষায়
এক চিলতে সুখের আশায়
arif

 .

শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৪

যে একবার মনে জায়গা করে নিয়েছে
তাকে কখনো মন থেকে তাড়িয়ে দেয়া যায় না।
মনের মাঝে সে চিরকালের জন্যই থেকে যায়।
হয়তো সময়ের ব্যবধানে অন্য কেউ
অনেকটা জায়গা দখল করে ফেলে
কিন্তু...............
কোন না কোন সময় সেই পুরনো দখলদারীর
কথা মনে পরবেই 

https://www.facebook.com/TomayaDhareRakhateParini?ref=hl

মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৪

বাবার কাছে বিবাহযোগ্য মেয়ের চিঠি

প্রিয় বাবা

যদিও তুমি অনেক কাছেই আছো, তবুও কিছু কথা তোমাকে কিছুতেই মুখে বলতে পারছিনা। কিছুটা সামাজিক আচারের প্রতি নিষ্ঠা, আবার কিছুটা জড়তা এবং তোমার উত্তপ্ত চাহনি বিনিময়ের ভয়েই লেখার আশ্রয় নিচ্ছি।

কারন, উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে আর যাই হোক কোন গঠনমূলক আলোচনা হতে পারেনা।
বুঝলে বাবা! পৃথিবীর বেশীরভাগ মানুষই মনে হয় দ্বিচারী মানসিকতার!
তুমি আমি আর আমাদের মতো সাধারণ মানুষরা এই অভ্যাস কিংবা স্বভাব থেকে কিছুতেই বের হতে পারছি না।
বাবা হিসেবেই আমার যে কাজটা তুমি মেয়ে হিসেবে সমর্থন করো নি, ছেলের জন্য সেই একই কাজকে দ্বিগুণ উৎসাহে করার উপদেশ দিয়েছ সবসময়।
যাই হোক! কিন্তু আজ জীবনের একটা বড় বাঁকে এসেও তুমি সেই কাজই করছ।
তোমার মনে আছে কি? ভাইয়ার যখন বিয়ের কথা চলছিলো তখন এই তুমিই বাসার সমস্ত হাদিস বই নামিয়ে হারিকেন জ্বেলে খুঁজছিলে মোহরানা যেন মাত্রাতিরিক্ত বা বোঝা হয়ে না দাড়ায় সেই সংক্রান্ত বিধি বিধান। এবং পেয়েও গিয়েছিলে । যেদিন লতা ভাবির বাসায় এই সংক্রান্ত আলাপে গিয়েছিলে সেদিন হাদিস বইটিও সাথে করে নিয়ে গিয়েছিলে, যেন তোমার ছেলেকে মেয়ে পক্ষ মোহরানার চাপে পিষ্ট করে ফেলতে না পারে, তার একটা আদর্শিক ভিত্তি দাড় করাতে পারো।
আর আজ সেই তুমিই যখন মেয়ের বাবা, তখন তুমিই বলছ- যে লাখ লাখ টাকা কাবিন ধরতে হবে, নাহয় আমার বিয়ে যে টিকবে, এই ছেলেটা যে আমাকে ছেড়ে যাবে না, তার কি নিশ্চয়তা থাকবে!
আবার উদাহরণ ও টেনে দিলে দারুণ। রুনু খালার ২৫ লাখ টাকা কাবিন ছিল, তাই ডিভোর্সের সময় বর বাধ্য হয়ে তা পরিশোধ করেছিলো। শমি কায়সারের কথা বলতেও তুমি ভুলো নি।
আচ্ছা বাবা! যেই ছেলের উপর তোমার এতোটুকু আস্থা নেই যে সে  তোমার মেয়েকে ভালো রাখবে, যার চরিত্রের উপর তোমার এতোটুকু বিশ্বাস নেই যে সে অন্য কোন মেয়ের দিকে চোখ তুলে তাকাবে না, তার কাছে তোমার আদরের কন্যাকে সমর্পণের চিন্তাই বা কি করে করো?
আর হাদিসেই তো আছে যে সৎ যুবক পেলে তার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিও না।
তাকে কি তোমার যথেষ্ট সৎ মনে হয়েছে?
যদি হয়ে থাকে তাহলে অকারণে ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা  করে কি লাভ? ভাগ্য বলতেও একটা কথা আছে। যদি ভাগ্য খারাপ হয়, কোটি টাকা কাবিন করেও তুমি আমার সংসার টিকাতে পারবে না।
আর গড়ার আগেই ভাঙার কথা যখন ভাবছ, তখন আসলেই এই সম্পর্কের ভিত্তির মজবুতি নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছে।
বাবা, আদর্শ একটা প্যারামিটার। আর আমাদের এই প্যারামিটার হওয়া উচিৎ আমাদের জীবন বিধান। এখানে সবকিছুর মানদণ্ড ঠিক করে দেওয়া আছে। তুমি যখন ছেলের বাবা তখন তুমি অপরের মেয়ের অধিকার খর্ব করে এটা কখনোই আশা করতে পারো না যে তোমার মেয়ের প্রতিও আরেক ছেলের বাবা সদাচারন করবে।
আর মুসলিম তো ভাই, এক দেহের মতো। তুমি আরেকজনের মেয়ের জন্য ও তাই পছন্দ করবে, যা নিজের মেয়ের জন্য করো। যে হাদিস অপরের মেয়ের জন্য প্রযোজ্য তা কি তোমার নিজের মেয়ের জন্যই অযৌক্তিক ভাবছ?
তাহলে বলতে হয়- আমরা ভীষণ সুবিধাবাদী, ভোগবাদী, এবং স্বার্থবাদী। নচেত, এই দ্বিমুখী চরিত্র কপটতা ছাড়া আর কি!
যে ছেলেটির উপর তোমার যথার্থই বিশ্বাস আছে, যে হ্যা, আমার আদরের কন্যাটির মেধা ও মননের সবেচেয়ে বেশী মূল্যায়ন সেই করতে পারবে, তাকেই বেছে নাও না আজ আমার জন্য।
আর মূল্যায়নের জন্য সবসময় কাড়ি কাড়ি টাকার দরকার হয়না। দরকার হয় সুন্দর একটা মনের। রুনু খালার জামাই যে এক লাখ টাকা বেতন পেতো, খালা যে তার এক টাকার মালিক পর্যন্ত ছিল না তা নিশ্চয়ই জানো? শুধু টাকা থাকলেই মানুষ মানুষকে মূল্যায়ন করতে সমর্থ হয়না বাবা। মানুষকে সম্মান করতে হলে চাই একটা সুন্দর মন।
ভাবছ, এখন থেকেই হবু স্বামীর স্বার্থ দেখা শুরু করেছি? বলবে আমি এখনই পর হয়ে গেছি? এটা জানো কি! যে মানুষটা আমাকে ভালো ও বাসবে না, আবার অতিরিক্ত মোহরানার ভয়ে তালাক ও দিতে পারবেনা, দিনের পর দিন অত্যাচার করবে, তার সাথেই সামান্য টাকার জন্য আমি চার দেয়াল আঁকড়ে পরে থাকি, এই কি চাও?
তবে তাই বলে ভেবো না নিজের সম্মান আর প্রাপ্যটুকু আমি বুঝে নিবো না। তবে সেটা অবশ্যই আমাদের আদর্শের প্যারামিটার অনুযায়ীই ঠিক করতে হবে। জীবন বিধানের কিছু অংশ মেনে কিছু অংশকে অগ্রাহ্য করে আর যাই হোক, একটা পবিত্র জীবন শুরু করার কথা আমি ভাবতেও পারছি না। আর ২০ লাখ ১০ লাখ ধরে বাকির খাতায় শূন্য আঁকার ইচ্ছাটাও তোমার মেয়ের নেই। আমরা যেন কপটতা থেকে বের হয়ে শুদ্ধ মানুষ হতে পারি। আজ রাখছি।
ইতি
তোমার আদরের দুলালী

মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৪

শৃঙ্খলা দেখেছি আমি পিঁপড়ার
মধ্যে।
যারা কখনো একজনকে টপকে
আরেক জন সামনে যায় না।
.
★একতা দেখেছি আমি কাকের
ভিতরে।
যারা একজন বিপদে পড়লে ১০০ জন
তৎক্ষণাৎ হাজির হয়।
.


★বিশ্বস্ততা দেখেছি আমি কুকুরের
মধ্যে
যারা তার প্রভুর জন্য জীবন
দিতে পারে।
.
★সচ্ছতা দেখেছি আমি পায়রার
ভিতরে। যারা তাদের সরল মনে
একজন অপরিচিত মানুষকেও অল্প সময়
বিশ্বাস করে।
.
★পরিশ্রম দেখেছি আমি ঘোড়ার
মধ্যে। যারা তার মনিবকে নিয়ে
ঘন্টার পর ঘন্টা ছুটে যায়
কোনো প্রতিবাদ
ছাড়াই।
.
তবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ
জীব মানুষের ভিতরে আমি হিংসা,
ক্রোধ,
লোভ অহংকার
দেখেছি।
.
তবে হাতের পাঁচ আঙ্গুল সমান
নয়। কিছু মানুষ এসবের
ব্যতিক্রম যাদের কারণে
পৃথিবী এখনো টিকে আছে।

শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০১৪

তবে কেন চলে গেলে।

পুরো পৃথিবীকে আলোকিত, করার জন্য
যেমন, একটা সূর্য যথেষ্ট, ঠিক
তেমনি পুরো জীবনকে সাজাতে মনের
মত একজন মানুষই যথেষ্ট.....................তাই তো ভেবেছিলাম,
তবে কেন চলে গেলে।