এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২০ জুন, ২০১২

আজ অনেক দিন পর বেশ ভালো কাটল ।
হঠাৎ করে পুরনো সময়গুলোতে ফিরে গেলাম,
সেই দিনগুলোতে যখন তুমি ছিলে একটু অন্যরকম ।
কেমন যেন !
বলা যায় অনেকটা রৈবিকগোছের ।
... বেশ অসাধারণ কিছু আমাকে তোমার মাঝে টেনে আনত ।
তোমার কবিতাগুলো পড়তাম,
আর মুগ্ধ হতাম ।
আমার সময় কাটত তোমার কবিতা কখন পড়ব তা ভেবে,
ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস শুরুর আগের সময়টা কাটত কখন তুমি আসবে,
আমার সাথে একটু কাব্যিকতা করে কথা বলবে,
আর তাতেই আমি বুঝে নেব
তুমি আজ তোমার লেখার ডালা সাজিয়ে এসেছ ।
তুমি যখন ভীষণ ব্যস্ত ক্লাসমেটদের অমলেন্দু স্যারের পড়া বোঝাতে,
আমি তখন এক ফাঁকে তোমার খাতাটা খুলে পড়তাম কবিতা ।
এমনিভাবে দিনের পর দিন কাটত ।
এভাবে একদিন ইউনিভার্সিটি থেকে বিদায়ের সময় হল,
ভাবতেই খারাপ লাগতে লাগল আমি ঐভাবে
আর কখনো তোমার কবিতার অপেক্ষায় থাকতে পারব না,
সময়গুলো ঋতুর পালাবদলের সাথে তাল মিলিয়ে চলেছে ।
এখন তাল মিলিয়ে চলার জন্যে তুমিও বদলে গেছো ।
আর তাই এখন আর কবিতাকে তোমার ভালো লাগে না,
কারো জন্যে অপেক্ষাকে ভালো লাগে না ।
আমার সব কিছু নাটকীয়তায় ভরপুর মনে হয়,
কারণ সময়ের সিঁধেল চোর তোমার সিঁধ কেটেছে ।
তাই তুমি বেশ বদলে গেছো ।
কিন্তু আমি একই আছি ।।
আরো দেখুন
জীবন হল নিজের কষ্ট
লুকিয়ে রেখে হাসা
জীবন হল সুখগুলিকে
কয়েক ভাগে পাওয়া
জীবন হল ব্যথার মাঝেও
... আড়াল করা হাসি,
জীবন হল জবাবদিহিতায়
ভালোবাসা বাসি
জীবন হল এক মুহূর্তের
অনেক দিনের স্বপন
জীবন হল বেঈমানিতে
পর মুহূর্তেই মরণ !
জীবন হল মায়ের আচলে
ভাত খেয়ে হাত মোছা
জীবন হল বাবার জায়গায়
নিজের ছায়া রাখা
জীবন হল কল্পনারওই
চাঁদকে ভালোবাসা
জীবন হল রাজপথেরই
মিছিল হয়ে থাকা
জীবন হল একটু হাসি,
একটু জল আর একটু অভিমান..
জীবন হল কিছু স্মৃতি
আর নতুনের আহ্বান ।
জীবন যখন যেমন তেমন
আমরা বাচি তাতে
জীবন নিয়েই জীবন গড়া
প্রতি মুহূর্তের সাথে !
আরো দেখুন
কেমন আছো ?


কেমন ছিলে আমায় ছাড়া এতটা দিন? জানতে আমার ইচ্ছে ছিল

... এখানে বিকেল হলেই ঐ আকাশে ডানা মেলে চিল ঊড়ে যায়
সন্ধ্যে বেলা ঐ আকাশে লাল আধারী স্বপ্ন দেখায়
তুমি ও কি তাদের মাঝেই আমায় খুঁজো ?

আমার এই শরীরটাতে বর্ষা এলেই কষ্ট করে বৃষ্টি নামে
আকাশ থেকে গড়িয়ে পড়ে করুণা ধারা
তুমি কি ঐ আকাশে তারার মাঝে আমায় খুঁজো ?
নাকি স্বপ্ন দেখে হটাৎ রাতে আঁতকে উঠে কোলবালিশে
জড়িয়ে ধরে শব্দ খোঁজো- শান্তি খোঁজো ?

আমি না হয় তোমার ছবি আঁকড়ে ধরে বুকের মাঝে
কাটিয়ে দেব সব কোলাহল-
জীবন যাবে - থাকবে শুধুই মনের মাঝে
হারিয়ে যাওয়া লাল পেড়ে সেই শাড়ির আঁচল

এখন তুমি কেমন আছো-জানতে বড় ইচ্ছে ছিল

সবাই বলে ভালবেসে ভুল করেছি ভুল করেছি
আমি জানি তোমার হাতে সেই বিকেলে মন দিয়েছি
এখন আমি মনটাকে তাই খুঁজে বেড়াই
মনটা শুধু তোমার কথা ভাবিয়ে আমায়-আমায় কাঁদায়

তুমি কি আমার মত আমায় ভেবে নষ্ট দিনে কষ্টে ভেজো ?
আমার মত মন হারিয়ে বুকের খাঁজে- একলা একা স্বপ্ন খোঁজ ?

তুমি না হয় ভুলেই গেলে-এই আমাকে তোমার মাঝে-
তবুও তোমার মাঝে কেমন আছে স্বপ্ন গুলো ?
এখন তুমি কেমন আছো- জানতে বড় ইচ্ছে ছিল।।
আরো দেখুন
আমার একটা মুহূর্তে প্রতিদিন তোমার জন্য মন খারাপ হয়, আমি নিজেকে বাঁচাতে যেই আকাশে চোখ রাখি, দেখি তুমি দুহাত বাড়িয়ে বল, এসো আমার কাছে আমায় আলিঙ্গন কর । দুঃসাধ্য কাজ ! আমি মন খারাপ করে বসে থাকি । আবার তাকাই আকাশে, তুমি কটাক্ষ করে হেসে বল যদি আমার কাছে আসতে না পারো তবে, মন খারাপ ক্তহাতি বলনা । আমি গুটিয়ে যাই । আমার বিষণ্ণতায় নেমে আসে গোধূলি, এতো দূরে থেকেও আমি দুহাত বাড়ই তোমাকে ধরার জন্য ।তোমার... ম...ধ্যে ঝড়ে পরে আমার একটি দুপুর, ভেজা চুলের শেষ ঝড়ে যাওয়া পানি । তুমি আঘাত করা হাসিতে আমায় ব্যাঙ্গ করে বল, কি ভালোবাসাবাসি সমাপ্তি ? তোমার কল্পনায় বসবাস নারী, যা সম্পূর্ণ অর্থহীন ।
আমি চুপ, কথা নেই, বলতেও পারিনা “ তোমার জন্য আমার মন খারাপ “

তোমার ব্যাঙ্গ হাসিতে সৃষ্টি আমার আরেক বিকেল । গাছের পাতায় হাত বুলাতে বুলাতে ভাবি, তুমি যদি গাছ হতে প্রতি মুহূর্তের মন খারাপে আমি তোমায় কাছে পেতাম, আমার কষ্টে । আমি সমুদ্রের দিকে চেয়ে থাকি, নীল সমুদ্রের মতো তোমার ওই চোখ যা আমার মনে পড়ে যায়, যেই চোখেই হয়েছিলো আমার মরণ, আমি আর তাকাতে পারিনা অন্য কোন চোখের দিকে, আমি নিজেকে গোছাতে যেই চোখ ফিরালাম তোমার থেকে, তুমি ডেকে বললে, এই তাকাও আমার চোখের দিকে, তাকাও তাকাও, আমি অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকি। আবেগের অশ্রু বৃষ্টি হয়ে সমুদ্রে মিশে যায় । তুমি হেসে বল আমি তৃপ্ত তোমায় আমি পেলাম ।

তোমার চোখের দিকে চেয়ে দেখি বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হল কখন যেন । আমি আবার তোমার অভাবে মন খারাপ করি । অপেক্ষা করি কষ্ট থেকে মুক্তির জন্য । আমি তোমাকে ছুঁতে পারিনা, আমি তোমাকে কল্পনায় দেখি [, এ যে কি কষ্টের আবেগ, বুঝি কিন্তু তাড়াতে পারিনা ।

সন্ধ্যা গিয়ে রাত্রি যখন এলো, এবার আমি আকাশে তাকাতেই আমার মন ভালো হয়ে গেলো । পৃথিবীর সব ভালোবাসা, আদর, কোমলতা, রাগ সব জমা রেখেছ তুমি রাত্রির বুকে, তুমি বললে আমার কানে , ওগো মায়াবিনী ...আমার ভালোবাসার মেয়ে শোন, তোমার মন খারাপের সকাল, দুপুর, বিকেল,সন্ধ্যার সমাপ্তি ঘটলো । তোমার জন্য এই আকাশে যত তারা আছে তার চাইতেও বেশি অসংখ্য চুম্বন । যা শুধু তোমার জন্যই রাখা । তোমায় আমি ভালোবাসি, কারন তোমার মতো করে আমায় কেউ ভালোবাসে না ।

আমি দুহাত পাতি তোমার দিকে, ধীরে ধীরে হাত গুজি বুকের কাছে, অনুভব করি তোমায় আমার আত্মার কাছে, আমি সুখি হই তোমার সেই একটি কোথায় “তোমায় আমি ভালোবাসি, কারন তোমার মতো করে আমায় কেউ ভালোবাসে না “
আরো দেখুন
যে হাত ধরে জীবন দেখতে শিখেছিলাম
সে প্রতিশ্রুতির সুর কেটে গেছে
ছিঁড়ে গেছে সম্পর্কের ঢিলেঢালা সুতোটা।

ভেবেছিল পড়ে যাবো...
... হয়তো যেতাম,
হয়তো নিঃশ্বেষ হয়ে যেতাম।
কিন্তু সময় শিখিয়ে দিয়েছে প্রতারণার খেলা ধরতে,
সুনিপুনভাবে ধরে ফেলেছিলাম অব্যক্ত অভিনয়।

তাই,
মেঘ আমার জীবনে এলো এই সায়াহ্নকালে
বৃষ্টি হয়ে ঝড়ে পরলো আমার অভিমান
প্রতারণা এক সাগর দিয়ে ভাসিয়ে দিলো।
এ অধ্যায় চিরতরে শেষ।

প্রিয়ন্ত আমার জীবনের নতুন সূর্য্য
প্রতারণার দীর্ঘ অমাবস্যা থেকে আমায় ধীর লয়ে নিয়ে এলো বিশ্বাসের পূর্ণিমায়।
আমি তার আলোয় আলোকিত।
আজ সে আমায় পরম যত্নে শিখিয়েছে কিকরে ভালবাসতে হয় নিজেকে, তাকে ।

আজ আমরা দক্ষিণ হাওয়ায় আন্দোলিত হই,
বৃষ্টিতে ভিজে কাক হয়ে ফিরি,
সেই ভেজায় নিষিক্ত হবার মত স্বর্গসুখে আমি বার বার মরি।
প্রিয়ন্তের ভালবাসা সেই বৃষ্টির চাইতেও আমায় শিক্ত করে।

ময়ূরের রঙ ভেসে ওঠে তার স্পর্শে
তার হাসিতে সূর্যালোকিত চকচকে নদীর ঢেই জেগে ওঠে
আমার নামটি যখন শুনি ও দুটো ঠোঁটে,
মনে হয় - দূর পাহাড়ে প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরে আসে বার বার আমার কাছে।
হৃদয় আন্দোলিত হয়ে ওঠে ঝর্ণাধারায়,
তার বুকে মাথা রেখে জোনাকীপোকার গুন্জন শুনতে পাই।

আমার স্বপ্ন সব আজ ভীষণ রঙ্গীন
প্রতিদিন প্রিয়ন্তকে ভালবেসে ডুবি আবার ভাসি।
ভাবি,আজ প্রিয়ন্ত এগিয়ে না এলে
হয়তো আমি সত্যিই হারিয়ে যেতাম সেই হাজার তারার ভীরে।

প্রিয়ন্ত,
আমার ভালবাসা
আমার আরাধ্য কামনা
আমার বেঁচে থাকার অপূরণীয় অঙ্গ;
তোমায় কিভাবে ভালবাসলে বোঝাতে পারবো, আমার বেঁচে থাকার উপলব্ধি ?
তুমি কি আমার চোখে দেখতে পাও সে গভীরতা ?
তুমি কে আমার হৃদয়ে দেখতে পাও তোমার আকাশ ?
আমার স্পর্শে পাও কি প্রতিদিন তোমায় ভাললাগার উষ্ণতা ?
আমি যে প্রতিদিন তোমাতে বেঁচে উঠি - সেটা কি তুমি বুঝতে পারো?
অনেক সাধ হয় - সব রকম অনুভূতি তোমার কাছে প্রকাশ করি
“ উক্ত - অনুক্ত”।

প্রতিমুহুর্ত ও’দুটি চোখের তারায় আমার জন্য ভালবাসা ভেসে ওঠার দিকে তাকিয়ে
আমি আরো হাজার বছর মরেও বাঁচতে রাজি।
তুমি কি বুঝতে পারো আমার ভালবাসা প্রিয়ন্ত ????
আরো দেখুন
আবির রাঙা আকাশ........


আবির রঙে রাঙা শেষ বিকেলের আকাশ,
যেন শিল্পির তুলিতে আঁকা কোন কল্পিত ছবি।
... অদ্ভুত সব রঙের কারু কাজে ভরা,
নিখুঁত সৌন্দর্যে গড়া প্রতিটি দৃশ্য।
পড়ন্ত রোদের একটুকরো আলো,
পাতার আড়াল থেকে লুকোচুরি খেলছে।
অসম্ভব সুন্দর মায়াময় শান্ত চারিদিক।

দূরে, দল বেঁধে এক ঝাঁক পাখিরা নীড়ে ফিরছে,
একতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তারা উড়ে চলেছে।
তাদের এই দৃঢ় একনিষ্ট একতার কাছে আজ আমরা পরাজিত।
আজ আমরা অনেক পেছনে ফেলে এসেছি সেই সব,
সংগ্রামের দিনে একত্রিত হয়ে পথচলার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দৃশ্য।
অগনিত ভাইয়ের রক্তস্রোতের বিনিময়ে গড়া,
অগনিত বোনের লুণ্ঠিত আব্রুর বিনিময়ে গড়া,
অগনিত মায়ের সন্তান হারানো ব্যাথার বিনিময়ে গড়া,
স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ আমরা,
আজ একতার সংজ্ঞা বুঝি না।

আবির রাঙা আকাশটা ধীরে ধীরে,
কালো আঁধারে ঢেকে যাচ্ছে।
আবছা অন্ধকারটা সময়ের সাথে সাথে,
গাঢ় আঁধারে পরিণত হচ্ছে।
যেন কোন অশুভ ইঙ্গিত বয়ে আনছে।
আকাশের স্বাধীন চাঁদটা আজ চোখে পড়ছে না,
পরাধীনতার কালো আঁধারে যেন সেটি হারিয়ে গেছে।
অমাবশ্যার কালো ছায়ার হাত থেকে পূর্ণিমার আলো ফিরে পেতে,
চাঁদটিকে অপেক্ষা করতে হবে আরো কিছুদিন।
কিন্তু স্বাধীন হয়েও পরাধীনতার এই কালো হাত থেকে মুক্তি পেতে,
আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কতদিন.......????
আরো দেখুন
মনে পড়ে ?"


মনে পড়ে ?

... ঐ যে সেদিন বকুল তলায় এনে দিয়েছিলাম এক মুঠো রোদ্দুর ?
ঐ যে বারান্দায় দাঁড়িয়ে তুমি রোদের কাছে জোছনা খুঁজেছিলে ?

মনে পড়ে ?

সেদিন বিকেল বেলা আমি আলতো স্বরে তোমার মুখে এঁকেছিলাম লাল তিলক। তুমি রাঙ্গা বউ হয়ে আমাকে এনে দিয়েছিলে এক মুঠো সারস পাখি। আমি সেই পাখিদের সাথে পাল তুলে উড়েছিলাম আকাশে। তুমি আমাকে
দেখে নিজেও চেয়েছিলে আমার সাথে ভেসে বেড়াবে অনন্তে।

তারপর শুধু আমরা উড়েছিলাম সাত সমুদ্দুর
আমাদের ছিলনা কোন পিছুটান
বোষ্টমা বোষ্টমি হয়ে আমরা জেনেছিলাম জীবনের মানে
নাচের ভঙ্গিতে বেড়ে উঠেছিল আমাদের পাখালিত প্রেম

মনে পড়ে ?

ঐ যে সেদিন আমি পিদিম জ্বালিয়ে তোমাকে সাজিয়েছিলাম কিন্নরীর মত
তুমি আমার হাতে হাত রেখে হারিয়ে যেতে চেয়েছিলে অসীম কালোতে
আমি তোমার বুকে মাথা রেখে শুনেছিলাম ভালবাসার দুপদুপানি
সেই থেকে আমরা দুইজন একসাথে মরে যাওয়ার সংকল্প করেছিলাম-

মনে পড়ে ?

চাঁদোয়া রাতে তুমি নেচে ছিলে উবরশী হয়ে
আমি বিরুপাক্ষ সাজে সেজেছিলাম দেবী তোমার জন্য
তোমার রুপে আমার বুকের ভেতরে উঠেছিল দিগম্বরী ঝড়
হেসে হেসে সেই ঝড়কে ও তুমি ভালবাসা করে দিয়েছিলে ।

সেই থেকে আমি নেচে চলেছি বিচ্ছিন্ন পত্রিকার মত তোমার সাথে
তুমি আমার রাশবন্দী হয়ে মাথা গুঁজেছিলে আমার বাহুতে।
আমি ছিন্নভিন্ন রশি জড়ো করে ডুবিয়ে দিয়েছিলাম অন্ধকারের গানে
তুমি হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা কে দূরে ঠেলে কাছে এসেছিলে আপন হয়ে

মনে পড়ে ?
আরো দেখুন