এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৩

এই মাত্র শাহানার মৃত দেহ উদ্ধার করা হলো সাভারে আটকে পড়া পাচ দিন পরেও যে বেচে ছিল । হঠাত করে আগুন লাগায় শাহানা কে আর বাচাতে না পেরে হাউ মাউ কান্নায় ভেঙে পড়েন সব উদ্ধার কারী দল। , আপডেট পেতে....

শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৩


ধ্বংস স্তূপের বাহিরে অনেক মানুষ ... হঠাৎ বের হয়ে আসল একটা লাশ ... একজন বোনের লাশ ... হাতের মধ্যে সাদা কাগজে ২ লাইন লেখাঃ

"আম্মা-আব্বা আমারে মাফ কইরা দিউ তোমাগোরে আর ঔষুধ কিনে দিতে পারবনা। ভাই তুই আম্মা আব্বার দিকে খেয়াল রাখিছ"

হতভাগা মা চিঠি আর মেয়ের ছবি নিয়ে একটু কাঁদছে আর বেহুঁশ পড়ছে ... এরকম দৃশ্য দেখার পরে আর কোন মানুষ হয়ত চোখের পানি টুকু আটকিয়ে রাখতে পারবেনা !!

"ভাই আমার মাকে বইলেন,আমাকে মাফ করে দিতে,আমার বাড়ি পিরোজপুর ,হুলার হাট। ভাই আমি মারা গেলে লাশ টা বাড়িতে পাঠাইয়েন !!"

"ভাই দরকার হলে আমার পা কেটে বের করেন,তবুও আমাকে বাচান,আমি আর এই যন্ত্রনা সইতে পারিনা !!"

"ভাই আমাকে একটা হাতুড়ে দেন,আমি নিজেকে বের করতে পারব… !!"

"শ্বাস নিতে পারছিনা,লাশের গন্ধে মারা যাবো,ভাই একটু অক্সিজেন আনতে পারবেন !!"

"ভাই আমাকে এখান থেকে বের করেন,আমার একটা ২ বছরের ছেলে আছে,ওর জন্য আমাকে বাচান,ওরে দুধ খাওয়াতে হবে !!"

চাপা পড়া মানুষের এই আকুতিগুলা চোখকে ঝাপসা করে দেয় !!

...... ...... ......

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,

আর রসিকতা করবো না ... একটা বার চোখ দুইটা বন্ধ করেন ... কল্পনা করেন, আপনি চাপা পড়া একজন কর্মীর বাবা ... একটা বার একটু কল্পনা করেন, আপনার ভাই চাপা পড়ে কাঁদছে !!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী,

একটাবার একটু ভাবুন, আপনার ছেলেটার বুকের উপর হাজার কেজি ওজনের একটা পাথর ... সে নিঃশ্বাস নিতে পারছে না !!

'রাজনৈতিক নেতা' হয়ে তো অনেক দিন রইলেন ... এবার একটু 'মানুষ' হয়েই দেখুন !!!
ধ্বংস স্তূপের বাহিরে অনেক মানুষ ... হঠাৎ বের হয়ে আসল একটা লাশ ... একজন বোনের লাশ ... হাতের মধ্যে সাদা কাগজে ২ লাইন লেখাঃ

"আম্মা-আব্বা আমারে মাফ কইরা দিউ তোমাগোরে আর ঔষুধ কিনে দিতে পারবনা। ভাই তুই আম্মা আব্বার দিকে খেয়াল রাখিছ"

হতভাগা মা চিঠি আর মেয়ের ছবি নিয়ে একটু কাঁদছে আর বেহুঁশ পড়ছে ... এরকম দৃশ্য দেখার পরে আর কোন মানুষ হয়ত চোখের পানি টুকু আটকিয়ে রাখতে পারবেনা !!

"ভাই আমার মাকে বইলেন,আমাকে মাফ করে দিতে,আমার বাড়ি পিরোজপুর ,হুলার হাট। ভাই আমি মারা গেলে লাশ টা বাড়িতে পাঠাইয়েন !!"

"ভাই দরকার হলে আমার পা কেটে বের করেন,তবুও আমাকে বাচান,আমি আর এই যন্ত্রনা সইতে পারিনা !!"

"ভাই আমাকে একটা হাতুড়ে দেন,আমি নিজেকে বের করতে পারব… !!"

"শ্বাস নিতে পারছিনা,লাশের গন্ধে মারা যাবো,ভাই একটু অক্সিজেন আনতে পারবেন !!"

"ভাই আমাকে এখান থেকে বের করেন,আমার একটা ২ বছরের ছেলে আছে,ওর জন্য আমাকে বাচান,ওরে দুধ খাওয়াতে হবে !!"

চাপা পড়া মানুষের এই আকুতিগুলা চোখকে ঝাপসা করে দেয় !!

...... ...... ......

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,

আর রসিকতা করবো না ... একটা বার চোখ দুইটা বন্ধ করেন ... কল্পনা করেন, আপনি চাপা পড়া একজন কর্মীর বাবা ... একটা বার একটু কল্পনা করেন, আপনার ভাই চাপা পড়ে কাঁদছে !!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী,

একটাবার একটু ভাবুন, আপনার ছেলেটার বুকের উপর হাজার কেজি ওজনের একটা পাথর ... সে নিঃশ্বাস নিতে পারছে না !!

'রাজনৈতিক নেতা' হয়ে তো অনেক দিন রইলেন ... এবার একটু 'মানুষ' হয়েই দেখুন !!!
সাভার ট্র্যজেডির সকল আপডেট   ফেসবুক পেজে পোষ্ট করার কারনে ব্লগ পোষ্ট করতে পারিনি , আপনাদের সময় মত আপডেট দিতে না পারায় আন্তরিক ভাবে দু:খিত।
তৈরী করা গুজবের আসল খবর জানুন এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দুইজন ভাই ও বোনের কাছ থেকে>> ভাই দয়া করে লেখা টা শেয়ার করবেন: ফেইসবুকে কিছু পেইজ থেকে এনাম মেডিকেলের নামে মিথ্যা গুজব ছড়ানো হচ্ছে ।দয়া করে এসব গুজবে কান দিবেননা । না খেয়ে না দেয়ে এতো কষ্টকরে রোগীদের সেবা করার পর এধরনের কথা দেখলে আসলেই খুব কষ্ট লাগে। তারপরও কারো সন্দেহ হলে এনাম মেডিকেলের দরজা আপনাদেরজন্য সবসময়ই খোলা (আব্দুল আহাদ খানঃ facebook.com/abdul.a.khan.12)>> ২৪ এপ্রিল সকাল ১০ টা থেকে আজ ২৭ এপ্রিল এখন রাত ৩.৫০ বাজে বিশ্রামহীন ভাবে কাজ করছি আমরা সবাই।।। এখন একফোটা শক্তি নেই শরীরে তারপর ও এই কথাটা সবাই কে বলার জন্য কিবোর্ড টা হাতে নিলাম।।। ভাই আমরা নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করছি এই অসহায় মানুষ গুলোর জন্য।।না খেয়ে না নেয়ে বিরামহীন কাজ।।।খুব পানি পিপাসা লাগছিল বন্ধু লোকেশ কে বল্লাম একটু পানি দে পানির বোতল হাতে নেয়ার সাথেই এম্বুলেন্সের শব্দ।।।আমার পরিচিত শব্দ এই তিন দিনে শোনা হয়েছে হাজার বার।।অনু স্যার আমার দিকে তাকিয়ে বলল স্যালাইন রেডি করো বোতল নিয়ে দাড়িয়ে আছো কেন,,ব্যাস পানি আর খাওয়া হলোনা ঐ সময় একসাথে ৪ জন রুগীর প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পানির বোতল হাতে নিয়ে ছিলাম।।।।সারাদিনের খাটনি্ ছোট ভাই রাজীব খেয়াল করছিলো বারবার বলছিলো আপূ একটু গ্লুকোজ খান।।।আমি অবাক হলাম ও আমাকে গ্লুকোজ খেতে বলল অথচ ওর অবস্থা আমার থেকে ও খারাপ।।।শুধু আমরা এই কয়জন না আরো অনেক সিনিয়র জুনিয়র আর আমার সহপাঠি এবং স্যাররা কেউ ই নিজের কথা ভাবছেনা সবাই যেন কেমন একটা পরিবার হয়ে গেছি আর ঐ ভবনে চাপা পরা মানুষ গুলোতো আমাদেরই পরিবার এর একজন ।।।আমরাও কেদেঁছি বুড়ো মায়ের আহাজারি দেখে আবার ৩ দিন পর যখন মনোয়ারা পারভীন এর স্বামি তাকে খুজে পেয়ে খুশিতে কেদেঁছে আমারা ও অশ্রু শিক্ত হয়েছি।।।এভাবে ই অনেক চরাই উতরাই এর ভিতর দিয়ে আমরা এক একটা দিন কাটাচ্ছি কিন্তু আমাদের ১০০ ভাগ সেবা আমরা দদিয়ে যাচ্ছি প্রিয়জনকে তার জন্মদিনে শুভেচ্ছা টুকু জানাতে পারিনি ।।এতোগুলো কথা বলার কারন হচ্ছে এই মাত্র রুমে এসে শুনলাম অনেকে নাকি বলছে এনাম মেডিকেলের গোপন ঘরে নাকি ১৫০ লাশ গুম করে রাখা হইছে!!!!!ভাইরে আমরা কারো কাছে আমাদের কষ্টের মূল্য চাইনা কিন্তু তাই বলে কি আমরা একটু বাহাবা ও পেতে পারিনা????রাত দান এক করে এই মানুষ গুলোকে সুস্থ করার পিছনে লেগে আছি আমরা সবাই ...এই ধরনের আজগুবি কথা গুলো শনলে মন ভেঙে যায় প্লীজ কেউ মিথ্য্যা অপপ্রচার করবেননা দরকার হলে আপনারা এনাম এ এসে নিজের চোখে দেখে যান তারপর যা লিখার লিখুন একটা মহৎ কাজে শরীক হতে না চাইলে হবেননা কিন্তু তা নিয়ে মিথ্যা প্রচার করবেননা।।।(চৌধুরী নাবিলা আহসানঃ facebook.com/adapadalobonchadamnaacs)

বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩

সাভারের জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন। গ্রুপ নির্বিশেষ রক্তের প্রয়োজন। যারা ঢাকা এবং সাভারে আছেন তাদেরকে দ্রুত ঘটনাস্থলে অথবা শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে যোগাযোগ করুন। যারা রক্ত দিতে চান দ্রুত চলে আসুন শাহবাগে। ঢাকা শহরের যারা আছেন তারা শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে যোগাযোগ করলে সেখানে রক্ত দিতে পারবেন। এখান থেকে রক্ত কিছুক্ষণ পর পরই পৌঁছে দেয়ায় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
যোগাযোগ
শাহবাগ : মিডিয়া সেল, গণজাগরন মঞ্চ। ডাঃ উজ্জ্বল ০১৭১৭৬৪৩২০৫, সাগর ০১৯২৫১৫০২০৪। 
সাভার : এনাম মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, সাভার, ঢাকা। মোবাইল: ০১৬৮১২১২৭৭৭। ০২-৭৭৪৩৭৭৮-৮২।
অনেক আহত ব্যাক্তি পঙ্গু হাসপাতাল শ্যামলী তে ভর্তি হয়েছেন এবং কিছুক্ষণ পর পরই আসছেন সবারই প্রায় রক্তের প্রয়োজন, শ্যামলী ও এর আশে পাশে যারা আছেন অর্থাৎ পঙ্গু হাসপাতালের
আশে পাশে যারা আছেন এবং রক্ত দিতে ইচ্ছুক, তাঁরা হাসপাতালে যোগাযোগ করে ওখানেই রক্ত দিতে পারেন, আর যাদের হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই, তাঁরা সরাসরি ব্লাড ট্রান্সফিউসান অথবা রক্ত সন্জ্ঞালন বিভাগে যোগাযোগ করে ও ব্লাড দিয়ে চলে যেতে পারবেন ।
যোগাযোগ :
ডাঃ সনেট: 01711733175
ডাঃ টিপু: 01714107670